সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ
কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল
জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের
হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ
প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ
গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি
কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি, ২০২২
প্রতীকী ছবি
ওই স্পার্ম ডোনারের পরিচয় জানার পর জাপানি সেই নারী তার সন্তানকে দত্তক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জাপানের সংবাদমাধ্যম টোকিও শিনবুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সী ওই নারী সেই ভুয়া পরিচয় দেয়া স্পার্ম ডোনারের বিরুদ্ধে প্রায় তিন মিলিয়ন ডলারের মামলা করেছেন।
ওই নারী জানতেন যে, তিনি একজন সচ্ছল জাপানি পুরুষ খুঁজে পেয়েছেন যিনি কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। এই কথা বিশ্বাস করে তিনি সন্তান ধারণের জন্য ওই পুরুষের সঙ্গে ১০ বার মিলিত হয়েছিলেন।
যদিও ওই নারীর স্বামী ও সন্তান রয়েছে। কিন্তু তার স্বামীর বংশগত রোগ ছিল যা তার সন্তানদের মধ্যেও চলে আসতে পেরে জেনে তিনি দ্বিতীয় সন্তানের জন্য আলাদা একজন স্পার্ম ডোনারকে খুঁজছিলেন।
আরও পড়ুন : হংকংয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ট্রানজিট সুবিধা বাতিল
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে তিনি একজনকে পেয়েও গিয়েছিলেন যিনি ভুয়া পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে রতিক্রিয়ায় লিপ্ত হন। এরপর ২০১৯ সালের জুলাইতে তাদের চেষ্টা সফল হয়। ওই নারী গর্ভবতী হন।
কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার এক পর্যায়ে ওই নারী জানতে পারেন তার অনাগত সন্তানের বাবা (স্পার্ম ডোনার) একজন বিবাহিত চীনা নাগরিক। এমনকি কোনো ভাল বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়াশোনা করেননি তিনি।
কিন্তু যতক্ষণে তিনি জানতে পারেন ততক্ষণে গর্ভপাত করানোর আর সুযোগ ছিল না। তাই তিনি ওই প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দেন এবং সন্তানকে দত্তক দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।