ঢাকা, সোমবার, ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬

২২ পৌষ ১৪৩২, ১৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম
টাকা ছাপিয়েও ব্যাংক রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন

ইট-পাথরের এই ঢাকায় এখনও টিকে আছে ২০৯ প্রজাতির বন্যপ্রাণী

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি, ২০২২

ইট-পাথরের এই ঢাকায় এখনও টিকে আছে ২০৯ প্রজাতির বন্যপ্রাণী

২০৯ প্রজাতির বন্যপ্রাণী দেখা যায় রাজধানীতে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মো. ফিরোজ জামানের নেতৃত্বে চালানো এক গবেষণায় পাওয়া গেছে এ তথ্য। ২০১৫ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্যপ্রাণী রিসার্চ ল্যাবরেটরির অধীনে শুরু হয়েছে গবেষণার কাজ।

অধ্যাপক ফিরোজ জানান, গত কয়েক দশকে ঢাকাতে বড় বড় অট্টালিকা গড়ে ওঠা এবং অলি গলিতে ফাঁকা স্থান দখল হওয়ায় দেকা যায় না অচেনা ভীমরাজ পাখি, কোন জলাশয় না থাকায় দেখা যায় না ঝিঁঝিঁ ব্যাঙয়ের মত অচিন প্রাণী। গবেষণায় দেখা যায়, ২০৯ প্রজাতির বন্যপ্রাণীর মধ্যে বসন্ত বাউরি, ফিঙে ও ছোট ভীমরাজ পাখিসহ মোট ১৬২ প্রজাতির পাখি রয়েছে ঢাকা শহরে। 

সবুজ, গেছো ব্যাঙ, কটকটি ব্যাঙ, ঝিঁঝিঁ ব্যাঙ ও ঘড়িয়ালসহ উভচর প্রাণী আছে ১২ প্রজাতির। তক্ষক, গুইসাপ, খৈয়া গোখরা, পদ্মগোখরার মত সরীসৃপ আছে ১৯ প্রজাতির।

আরও পড়ুন: সচেতনতা বাড়াতে সেন্টমার্টিনে প্লাস্টিক বর্জ্যে মাছের ম্যুরাল (ভিডিও)

এছাড়া বানর, শিয়াল, বনবিড়াল, শুশুক বা ডলফিনসহ ১৬ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী চিহ্নিত করেছে গবেষণা দল। সুন্ধি কাছিম, তরাকরি কাইট্টা প্রজাতির কচ্ছপসহ কয়েক প্রজাতির কচ্ছপ আছে। 

২০১৫ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ঢাকার রমনা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান, দিয়াবাড়ী, উত্তরা, খিলক্ষেত, রামপুরার আফতাবনগর, বুড়িগঙ্গা এবং তুরাগ নদীসহ মোট ২২টি এলাকা এবং এর আশপাশের জলাশয়, বনভূমিতে গবেষণাটি চালানো হয়েছে। এটি চলবে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।

অধ্যাপক জামান আরও জানান, প্রতিকূল পরিবেশে ঢাকায় বাস করা এসব প্রাণীর বড় অংশটি এখন অস্তিত্বের সংকটে রয়েছে। কিন্তু প্রজননের পরিবেশের অভাবে বাড়ছে না বন্যপ্রাণীর সংখ্যা।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে পাখির মধ্যে এখনো বিপন্ন প্রজাতি তেমন নেই। কিন্তু স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্ষেত্রে বিপন্ন প্রজাতি আছে কয়েকটি। আর বুড়িগঙ্গা বা তুরাগ নদীতে এখনো হঠাৎই ভেসে উঠতে পারে দেশি শুশুক।

সূত্র; বিবিসি