সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ
কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল
জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের
হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ
প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ
গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি
কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি, ২০২২
ঋষি সুনাক। ছবি সংগৃহীত
লকডাউনে মদের পার্টি করায় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পদত্যাগের দাবি দিন দিন জোরালো হচ্ছে। বিরোধী দল লেবার পার্টি চায় এই মুহূর্তে ক্ষমতা থেকে সরে যান তিনি। তার নিজ দল কনজারভেটিভ পার্টিরও অনেকে চাইছেন পদত্যাগ করুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
স্বাভাবিকভাবেই ‘ব্যাকফুটে’ চলে গেছেন জনসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার আর নিস্তার নেই তার। বারবার করোনা প্রটোকল ভাঙায় শেষ পর্যন্ত তাকে সরে যেতে হতে পারে।
তাহলে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কে? এরই মধ্যে কয়েকজনের নাম শোনা গিয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে ঋষি সুনাকের নাম। কিন্তু কে তিনি? কী তার পরিচয়?
ঋষি ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। বর্তমানে কনজারভেটিভ পার্টির চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তার মা ফার্মাসিস্ট এবং বাবা চিকিৎসক।
আরও পড়ুন: যুবকের কান থেকে তেলাপোকা বের করলেন চিকিৎসক
অক্সফোর্ড ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন ঋষি। লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়ে ইনফোসিসের সহপ্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির মেয়ে অক্ষতা মূর্তিকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের ঘরে রয়েছে দুই মেয়ে কৃষ্ণা ও আনুষ্কা।সবমিলিয়ে সুখের সংসার।
পরিবার, ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার পাশাপাশি রাজনীতির মাঠও সরগরম রাখেন ঋষি। এক্ষেত্রেও সফল তিনি। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন ৪১ বছর বয়সী এ রাজনীতিক। ইয়র্কশায়ারের রিচমন্ডের আইনসভার সদস্য হিসেবে সেখানে জায়গা করে নেন তিনি।
পরে ব্রেক্সিটের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ঋষি। ফলে দ্রুত সবার নজরে পড়েন তিনি। জনসনের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ত্যাগ করার পেছনেও তার বড় অবদান ছিল।
এখন ১০ হাজার কোটি টাকার আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংস্থার সহপ্রতিষ্ঠা ঋষি। রাজনীতিতে ঢোকার আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগের বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন। স্বীয় দক্ষতা, মেধা ও প্রজ্ঞায় ২০২০ সালে ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী নিযুক্ত হন তিনি।
এরপর থেকে বারবার সংবাদের শিরোনাম হচ্ছেন ঋষি। তবে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার বিষয়টি নাকচ করে গেছেন তিনি। আগেই জানা যায়, এ ধরনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা তার নেই।
তবে এবার সম্ভবত এড়িয়ে যেতে পারবেন না ঋষি। কারণ, দলীয় নেতাকর্মী এবং ব্রিটেনের নাগরিকরা তাকেই এগিয়ে রাখছেন। এখন দেখার বিষয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে তিনি বসতে পারেন কি না?