সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ
কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল
জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের
হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ
প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ
গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি
কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি, ২০২২
বিরাট কোহলি, ফাইল ছবি
টুইটারে কোহলি লিখেছেন, ‘গত সাত বছর ধরে প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম, একটানা ধৈর্য দেখিয়ে দলকে একটা সঠিক দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে এই কাজ করেছি এবং কিছু বাদ রাখিনি। কোনো একটা স্তরে এসে সবকিছুই একসময় থেমে যায় এবং টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে আমার কাছেও এটাই থেমে যাওয়ার সময়।’
কোহলি আরও বলেন, ‘এই যাত্রাপথে অনেক উত্থান এবং কিছু পতন হয়েছে। কিন্তু কখনওই চেষ্টা বা বিশ্বাসের ঘাটতি থাকেনি। যাই করি না কেন, বরাবর নিজের ১২০ শতাংশ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যদি সেটা না পারি, তা হলে আমি জানি এটা সঠিক কাজ নয়। দলের প্রতি অসৎ হতে পারব না।’
— Virat Kohli (@imVkohli) January 15, 2022
কোহলির বিবৃতিতে ওঠে এসেছে ভারতের সাবেক কোচ রবি শাস্ত্রীর কথা। কোহলি লিখেছেন, ‘রবি শাস্ত্রী এবং বাকি সাপোর্ট স্টাফদের প্রশংসা প্রাপ্য। ভারতীয় দল যেভাবে একটা গাড়ির মতো ধারাবাহিক ভাবে উপরে উঠে এসেছে, সেই গাড়ির ইঞ্জিন ছিলেন তারা। আমার দর্শনকে সত্যি করার জন্য তোমাদের ভূমিকা অসামান্য।’
আরও পড়ুন:
তবে কোহলির বিবৃতিতে সব থেকে বেশি ধন্যবাদ পেয়েছেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। কোহলি একদম শেষে লিখেছেন, ‘এমএস ধোনিকে সব থেকে বেশি ধন্যবাদ আমাকে অধিনায়ক হিসেবে যোগ্য মনে করার জন্য। ভারতীয় ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, এই বিশ্বাস ধোনির ছিল।’
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে প্রথম বার টেস্ট দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন কোহলি। প্রথম টেস্টে ধোনির চোট থাকায় কোহলি অধিনায়কের দায়িত্ব সামলান। সেই সিরিজেরই তৃতীয় টেস্টে অবসর ঘোষণা দেন ধোনি। ফলে শেষ টেস্টেও কোহলিকে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। তারপর থেকেই তিনি ভারতের টেস্ট দলের অধিনায়ক।
তবে ইদানিং চাপ বাড়ছিল কোহলির উপর। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নিজে থেকেই নেতৃত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর একদিনের ক্রিকেটে অধিনায়কের পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয় বোর্ড।