সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ
কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল
জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের
হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ
প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ
গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি
কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি, ২০২২
ফাইল ছবি
চলতি মৌসুমে জুভেন্টাস থেকে পুরোনো ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন। এরপর থেকেই বেশ ছন্দে রয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যে দলটির হয়ে ২২ ম্যাচ থেকে করেছেন ১৪টি গোল। চ্যাম্পিয়নস লিগে তার করা গোলই রেডডেভিলদের গ্রুপ পর্ব পার করে শেষ ষোলোতে উত্তীর্ণ করে। লিগেও পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের গোল দলকে ১৩ পয়েন্ট এনে দিয়েছে এ পর্যন্ত।
আরও পড়ুন: জোকোতে বিরক্ত নাদাল, ওসাকার সহানুভূতি
তার বয়সের কারণে অনেকেই তার অবসরে যাওয়া নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। কেউ কেউ তার শেষ দেখে ফেলেছিলেন। কিন্তু এ নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। অবশেষে অবসরের বিষয়ে মুখ খুললেন সিআরসেভেন। জানালেন, এখনই অবসরে যাওয়ার কোনও ইচ্ছা নেই। বরং ৪২ বছর পর্যন্ত তার ক্যারিয়ারকে টেনে নিতে চান তিনি।
সম্প্রতি ইএসপিএন ব্রাজিলের কাছে এক সাক্ষাতকার দিয়েছেন ম্যানইউ তারকা। সেখানে পেশাদার ফুটবলে কাটিয়ে দেয়া দুই দশক নিয়ে অনেক কথাই বলেছেন। তারই এক ফাঁকে তিনি বলেন, ফুটবলার হিসেবে এখনও নিজের সময়টা যথেষ্ট উপভোগ করছি এবং দেখিয়ে দিয়েছি যে বয়স হয়ে গেলেও শীর্ষ পর্যায়ে খেলার মতো যোগ্যতা আমার রয়েছে।
২০১৮ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে যোগ দেন রোনালদো। সে সময় ৩৪ বছর বয়সী রোনালদোর ফিটনেস দেখে মুগ্ধ হয়েছিল জুভেন্টাসের চিকিৎসক দল। তাদের মনে হয়েছিল রোনালদোর ফিটনেস বিশের ঘরে থাকা ফুটবলারের মতো। ফিটনেস সচেতন বলেই এখনো শীর্ষ পর্যায়ে নিজের সেরাটা দিতে পারেন রোনালদো।
সেই সাক্ষাতকারে পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এ তারকা আরও বলেন, এখনও মনে হয় আমার বয়স ৩০ বছর। শরীর এবং মনের খেয়াল খুব ভালভাবেই রাখি। সম্প্রতি আমি এটা জানতে পেরেছি যে ৩৩ বছরের পরেও শারীরিক পরিশ্রম করা সম্ভব। কিন্তু আসল সমস্যা হল মানসিক। অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে যেতে হয় আমাদের। তার পরেও শীর্ষ পর্যায়ে খেলে যাওয়া খুবই কঠিন কাজ। সেটাও আমি গত কয়েক বছর ধরে অনায়াসে করে চলেছি। তবে এখন মনের উপর অনেক বেশি জোর দিচ্ছি। দেখতে চাই ৪০, ৪১ বা ৪২ বছর পর্যন্ত আমি খেলতে পারি কিনা।
শীর্ষ পর্যায়ে একজন স্ট্রাইকারের জন্য কাজটা কঠিন হলেও সিরি ‘আ’তে ইব্রাহিমোভিচ এখনো সেটিই করে দেখাচ্ছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও ৪০ বছর বয়সে খেলেছেন টেডি শেরিংহাম। ক্লাবের পূর্বসূরির পথে হাঁটার ব্যাপারে রোনালদোকে তাই আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছে।