ঢাকা, সোমবার, ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬

২২ পৌষ ১৪৩২, ১৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম
টাকা ছাপিয়েও ব্যাংক রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে: পরিকল্পনা উপদেষ্টা সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন

ভোলায় পুকুরে মিলল ভয়ংকর ‘সাকার ফিস’

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি, ২০২২

ভোলায় পুকুরে মিলল ভয়ংকর ‘সাকার ফিস’

ভয়ংকর ‘সাকার ফিস’

গ্রামের পুকুরে এ ধরনের মাছ পাওয়ার খবরে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মাছগুলো এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমান উৎসুক জনতা।

জানা গেছে, ভয়ংকর প্রজাতির এই ‘সাকার ফিস’ বাড়িতে বা অফিসে রাখা অ্যাকোয়ারিয়ামে রংবেরং এর মাছের মধ্যে কালো শরীরে হলুদ ছোপের এই মাছ দেখা যায় প্রায়ই। এটি পুকুর বা জলাশয়ে চাষ, উৎপাদন বা বাজারজাত করায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। চাষ ছাড়াই পুকুরে সাকার ফিসের দেখা মেলায় অনেকেই হয়েছেন হতবাক। কেউ কেউ আবার প্রথম বারের মত দৃষ্টিনন্দন মাছগুলো দেখতে পেলেন। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, শনিবার সকালের দিকে উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকার মালেক কন্টাকটরের বাড়ির কামাল তার পুকুরে পানি সেচ দেন। পরে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলেন। এ সময় অন্য মাছের সঙ্গে তার জালে উঠে আসে ‘সাকার ফিস’। তখনি এ মাছ দেখতে ভিড় জমান স্থানীয়রা।

ওই মাছ তিনি সংরক্ষণ না করে ফেলে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। পুকুরে সাকার ফিস প্রবেশের কারণ হিসাবে স্থানীয়রা ধারনা করছেন, এক বছর আগে প্রাকৃতিক দুর্যোগে জলোচ্ছ্বাস এবং জোয়ারে এলাকার অনেক পুকুর-ডোবা এবং খাল-বিল ডুবে যায়, তখন হয়ত কোথাও থেকে এসব মাছ ভেসে এসেছে। তা ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন পুকুরে। 

আরও পড়ুন: ইলিশ আছে ক্রেতা নেই, ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজহারুল ইসলাম জানান, এটি বিরল প্রজাতির মাছ বলা যাবে না। এগুলো মাঝে মধ্যেই দেখা যায়। অ্যাকোয়ারিয়ামে এ ধরনের মাছ থাকে। এরা সর্বোচ্চ এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে এগুলো চাষ, উৎপাদন বা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এসব মাছে অন্য প্রজাতির মাছের বংশবিস্তারে বাধা সৃষ্টি করে। এ মাছ না খাওয়াই ভালো। তবে প্রকৃতিকগতভাবে পুকুরে এই মাছ আসতে পারে বলেও ধারনা করেন তিনি।

উন্মুক্ত জলাশয়ে বা চাষের পুকুরে এ  মাছের প্রজাতির মাছের প্রবেশকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছে সচেতন মহল।