সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ
কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল
জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের
হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ
প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ
গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি
কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে মানুষ অল্প হলেও স্বাস্থ্য় সচেতন হয়েছে। যার কারণে জাঙ্ক ফুড ছেড়ে মানুষ কিছুটা স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকেছেন।
আর সেই তালিকায় কিছু সুপারফুড আছে, যা অল্প পরিমাণে খেলেও শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে প্রশংসা পেয়েছে। একাধিক গবেষণা ও ডায়েটিশিয়ান সমীক্ষার ওপর ভিত্তি করে ২০২৪ সালের সেরা বাছাই করা কিছু ট্রেন্ডিং সুপারফুডের তালিকা জানানো হলো-
ফার্মেন্টেড খাবার: ফার্মেন্টেড খাবারে প্রচুর প্রো বায়োটিক থাকে। যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই খাবার খেলে হজমশক্তি বাড়ে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।
২০২৪ সালে কিমচি, কেফির, সাউরক্রাউট এর মতো ফার্মেন্টেড খাবারগুলো তালিকার শীর্ষে আছে। এই খাবারগুলো প্রো বায়োটিক সমৃদ্ধ। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, এমনকি মানসিক স্বাস্থ্যও উন্নত করতে পারে।
মাশরুম: মাশরুম খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। ভিটামিন ডি, বি, সেলেনিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে মাশরুমে। শুধু তরকারি নয়, মাশরুমের জনপ্রিয়তা বাড়ায়, এটি বিভিন্ন ধরনের খাবারেও মেশানো হয়। যেমন- পিৎজা, বার্গার ইত্যাদি।
ডাল: মসুর, ছোলা ও অন্যান্য ডালে উচ্চ প্রোটিন ও ফাইবার থাকে। নিয়মিত ডাল খেলে শরীরে যেমন প্রোটিনের ঘাটতি মেটে আবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরাও থাকে।
পেঁপে: পেঁপে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর একটি সুপারফুড। এটি ভিটামিন সি, ভিটামিন এ ও পটাশিয়ামের মতো পুষ্টিতে ভরপুর। পেঁপে খেলে হজমশক্তি বাড়ে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, এমনকি কিছু রোগ থেকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে।
গ্রিন টি: গ্রিন টি’তে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। তাই নিয়মিত গ্রিন টি পান করা আমাদের ওজন কমাতে ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি কমে। হৃদরোগ ও ক্যানসারের হাত থেকেও রক্ষা করে। দিনে গ্রিন টি খাওয়া ব্যক্তি ও তাদের নিজস্ব স্বাস্থ্য দ্বারা নির্ধারিত হয়।