সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে হাসনাত ও সারজিসের ফেসবুক পোস্টে দলে অস্বস্তি-অসন্তোষ
কানাডায় আগাম নির্বাচনের ঘোষণা, ভোট ২৮ এপ্রিল
জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে সবাইকে কাজ করার আহ্বান তারেক রহমানের
হামাসকে ক্ষমতা ছাড়ার আহ্বান জানালো ফাতাহ
প্রকৃতিবিনাশী ও বৈষম্যপূর্ণ সব প্রকল্প বাতিল করতে হবে: আনু মুহাম্মদ
গণপরিষদের প্রয়োজন দেখছে না বিএনপি
কারামুক্ত হলেন তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন শমসের মবিন চৌধুরী
আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে হবে: নাহিদ ইসলাম
লোহাগাড়ায় কাপড় কাটার কাঁচির আঘাতে জামায়াত নেতা খুন
চ্যানেল 24
প্রকাশ: ১৫ জানুয়ারি, ২০২২
ছবি: সংগৃহিত
পরমাণু অস্ত্রের তালিকা করলে দেখা যায় সবথেকে বেশি পরমাণু অস্ত্র আছে সুপার পাওয়ার রাশিয়ার প্রায় ৭ হাজারের উপরে। এর পরের লিস্টে আছে আমেরিকার প্রায় ছয় হাজার এর বেশি পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী আমেরিকা। ভারত এবং পাকিস্তানের অস্ত্র প্রায় যথাক্রমে ১৩০ ও ১৪০ টি করে। ইসরায়েলের ৮০ টি ও ফ্রান্সের ৩০০ টি। চীন এবং উত্তর কোরিয়ার আছে যথাক্রমে ১৭০ ও ১৫ টি করে। নিউক্লিয়ার ওয়েপন্স মহাকাশে রুট স্যাটেলাইট কয়টি আছে সেটি নিয়ে আশংকা থাকলেও ধরে নেয়া যায় এর সংখ্যা ১৪২ এর আশেপাশে হবে, ২০১৬ সালে রাশিয়া মহাকাশে আরো ৭৩ টি মাইক্রো স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে। উইকিপিডিয়া ঘাটলে দেখবেন ব্যালেস্টিক সাবমেরিন আছে এরকম ছয়টি। এলিট দেশের তালিকায় ভারতের নাম আছে। জাপান শান্তিপূর্ণ দেশ হয়েছে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর থেকেই ১৬ টা সাবমেরিন তৈরি করেছে, ভারতেরও আছে ১৬ টা আর ইরানের আছে ৩১ টি করে সাবমেরিন, রাশিয়া নিজের সাবমেরিন নিজেই তৈরি করে এখন পর্যন্ত তারা বানিয়েছে ৬৩ টি, চীনের ৬৯ টি, এন্য দিকে অবরুদ্ধের মধ্যে থেকে উত্তর কোরিয়া ১৫ টা পরমাণু বোমা এবং ৭৮ টা সাবমেরিন এর অধিকারী।

এবার আমাদের দেশের কথায় আসি সাধারণ স্বাধীনতার ৫০ বছরে এসে পড়ে আছে ক্রিকেট আর ফুটবল এর উন্মাদনা নিয়ে। ক্রিকেটে আমাদের অবস্থান ভালো হলেও ফুটবল এ আমাদের র্যাংকিং হল ১৯৭। ৫০ বছর বয়সী এই দেশটির ১টা ক্যাম্পাসও সারাবিশ্বের ১০০ টা ক্যাম্পাস এর সিরিয়াল এ আসতে পারেনি, আমাদের লাল বাস আছে, শাটল আছে, প্যারিস রোড আছে, সংস্কৃতি রাজধানী আছে, সবই আছে। কিন্তু নাই সায়েন্টিফিক মেধা যে মেধা দিয়ে একটা দেশ এগিয়ে যেতে পারে। ভারতে মাহিন্দ্রা, মারতি, সুজিকির মতো ব্রান্ড তৈরি হলেও আমাদের দেশে এক প্রগতি ছাড়া আর কোনো ব্রান্ড পাই নি। সেই প্রগতি আবার গাড়ি বানায় না তারা গাড়ির পার্স জোড়া লাগায়। অথচ দেশে আছে বুয়েট, রুয়েট, চুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠান। ঢাবির মতো প্রতিষ্ঠান আবিষ্কার এর জন্য বিখ্যাত নয় তারা বিখ্যাত আন্দোলন এর জন্য। যেকোনো দাবি আদায়ের জন্য ঢাবির ছেলেরা গিয়ে রাস্তা ব্লক করে সেটা নিউজ হবে জাস্ট এটুকু। সুযোগ দিলে ঢাবি বিশ্বের ১০০ ক্যাম্পাসের যাওয়ার যোগ্যতা রাখে।
আমাদের দেশের ছাত্ররা বুলেট ট্রেনের নকশা করে কিনা জানিনা। তবে জাপানে বুলেট ট্রেন নিয়ে একটা প্রতিবেদন দেখেছিলাম সেখানে বলা হয়েছিল জাপানিরা যাতায়াত ব্যাবস্থা নিয়ে এতটা সহজ করে এনেছে যে জাপানে যেকোনো জায়গা থেকে টোকিও যেতে মাত্র ১ ঘণ্টা সময় লাগে, সবই সুপার ফাস্ট বুলেট ট্রেনের বদৌলতে। আমরা ক্রিকেট খেলি, বিশ্বকাপের পতাকা বানাই, ইউটিউবার বানাই, র্যাংকিং নিয়ে ফাইট করি, এইবার দেশটাকে একটু সুযোগ দিন দেশটা এগিয়ে যাক।
লেখক: আল হাসান মিলাদ